ঘরে বসে অনলাইনে আয় করুন হাজার হাজার টাকা

ঘরে বসে অনলাইনে আয় করুন হাজার হাজার টাকা

অনলাইনে আয়” কথাটির সাথে বর্তমানে বেশ পরিচিত। এক দশক আগেও যে বিষয়টির সর্ম্পকে আমাদের দেশের অনেকেই তেমন ‍কিছুই জানত না। যারাও জানত তারা হাতে গুনা দুই চার জন হবে। কিন্তু বর্তমানের চিত্র ঠিক তার বিপরীত কারন এখন ”অনলাইনে আয়” বিষটির সাথে আমাদের দেশের মানুষ এতটাই থিতু হয়ে গেছে যে এখন প্রায় প্রতি ঘরে ঘরেই মানুষ স্বপ্ন দেখে সেও অনলাইনে অনেক টাকা আয় করবে। বিশেষ করে ছাত্রসমাজ এই বিষয়গুলো দিকে একটু বেশিই ঝুকে পরছে।

তাই তো বর্তমান বিশ্বে অনলাইনে আয়ের দিক দিয়ে বাংলোদেশের অবস্থান দ্বিতীয় স্থানে পৌছে গেছে। বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১কোটি টাকা আয় করছে এই অনলাইন থেকে তাও ঘরে বসে। তাহলে বুজতেই পারছেন আমাদের দেশের অনলাইন জগত কতটা সমৃদ্ধ হয়ে ওঠেছে। তাই তো বিশেষজ্ঞরা এই অনলাইনে আয়ের ব্যাপারটাকে আমাদের দেশে এক অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দেখছেন। এরই ফলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি অর্থায়ানে তরুনদের অনলাইনে আয়ের ব্যাপারে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

যার ফলসুতিতে আমাদের দেশের তরুণদের আগ্রহের কোন কমতি নেই অনলাইনে আয়ের দিকে। এর আরও একটি প্রধান কারণ হলো বেশি অর্থ আয় করার সুযোগ । কারণ তারা দেখছে যেখানে ২০ বছর পড়াশুনা করে ২বছর চাকরির পিছে ঘুরেও যখন মাত্র ২০হাজার টাকার চাকরি যুগাতে হিমসীম খেতে হচ্ছে তখন অনেকে চাকরির পিছে না ঘুরে ২বছর অনলােইনে আয়ের উপর বিভিন্ন কাজ শিখে দুই বছরের মাথায় মাসে লক্ষ টাকা ঘরে তুলতে পারছে তাই আমাদের দেশের তরুনরা লেখাপড়া শেষ করে কিংবা কেউ কেউ লেখাপড়া করা অবস্থায় স্কুল, কলেজ, ইউনিভাসিটিতে পড়া অবস্থাতেই অন্য কাজ কে অপেক্ষা করে অনলাইনকে বেছে নিয়েছে আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে।

কিন্তু তাই বলে এই না যে যারা যারা দুই এক বছর অনলাইনে আসলো একটু ঘাটাঘাটি করল কিছু কাজ শিখলো কোন রকম করে, তারপরেই লক্ষ টাকা আয় করা শুরু করে দিলো। ব্যাপারটা কিন্তু মুটেও তেমন নয় । মনে রাখতে হবে যদি এতটাই সহজ হতে তাহলে পাড়ার রিকশা ওয়ালাও একটা কম্পিউটার কিনে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে বসে পড়ত অনলাইনে আয় করার জন্য ।

অনলাইনে আয় করার জন্য আপনাকে সবার প্রথমে যে কোন একটি বিষয়ে পরিপূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে হবে তার জন্য কম পক্ষে ৬মাস আপনাকে যে কোন একটি বিষয় নিয়ে লেগে থাকতে হবে দিনরাত ইন্টারনেট ঘেটে ঘেটে বিষয়টির সর্ম্পকে পরিপূর্ণ জ্ঞান আহরণ করতে হবে ও সেই বিষয় যথারীতি অনুশীলনের মাধ্যমে পরিপূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে হবে তারপরই আপনি আয় করার যোগ্য হবেন।

বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান আহোরণ করতে ও সেই বিষয়গুলো পরিপূর্ণভাবে জানতে আপনাকে সাহায্য করবে গুগল। তাই সবার প্রথমেই আপনাকে শিখে নিতে হবে কিভাবে গুগলে বিভিন্ন জিনিস খুজে বের করতে হয়।

অনলাইনে আয় করতে হলে এরপর আপনাকে জানতে হবে ইংরেজি । খুব ভালো ইংরেজি সম্ভব না হলেও মুটামুটি পড়ে ও শুনে বুজতে পারার মত ইংরেজি অবশ্যই লাগবে। তাই আসতে আসতে ইংরেজির প্রতিও আপনাকে মনোনিবেশ করতে হবে।

আরো পড়ুন:- কিভাবে ইংরেজি ভাষা শিখবেন খুব সহজে ১০০% কার্যকরী

তারপরের কাজটি হলো আপনাকে অবশ্যই একটা বিষয়ে মনোনিবেশ করতে হবে। বেশিরভাগ মানুষই অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে সফল না হওয়ার প্রধান কারন হলো এটি ।তারা যে কোন একটি বিষয়ে বেশিক্ষণ ধর্য্যধারণ করতে পারে না। যার জন্য তারা একটি কাজ নিয়ে এক সপ্তাহ কিংবা একমাস ঘাটাঘাটি করেই তাদের আর সেই বিষটির প্রতি ভালো লাগে না যার ফলে তারা অন্য কোন বিষয়ে মনোযোগ দিতে চায় কিছুদিন পর সেই বিষয়টিও তাদের ভালো লাগে না সেটিও তারা পরিবর্তন করে ফেলে এভাবে তাদের কোন কাজই পরিপূর্ণভাবে শিখা হয় না। এবং এভাবে করতে করতে তারা আর কোন দিনই অনলাইনে আয় করতে পারে না।

আপনাকে একটা উদাহরেণের মাধ্যমে বুজানো যাক যে কেন একটি কাজে মনোযোগী না হলে কখনোই অনলাইনেসফল হতে পারবেন না।

মনে করেন আপনি অনলাইনে আয় করতে ইচ্ছুক । কিছু দিন অনলাইনে ঘাটাঘাটি করে অনলাইনে কাজ শিখে ভালো আয় করা যায় এমন অনেক গুলো বিষয় খুজে পেলেন যেমন (গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েবডিজাইন,এসইও,মাকেটিং, ভিডিও ইডিটিং, ইত্যাদি) এখন আপনি এখান থেকে আপনার পছন্দমত একটি বিষয় বেছে নিলেন যেটি আপনি শিখবেন এবং সেই কাজ করে অনলাইনে আয় করবেন। ধরি আপনার পছন্দ হলো গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং আপনি ভালোভাবে বুজে শুনে ইন্টারনেট সার্চ করে বিভিন্ন রিসোর্স বের করে শিখতে শুরু করলেন। ভালো গ্রাফিক্স ডিজাইনের বেসিক আপনি জানতে থাকলেন। বেসিকগুলো জানতে আপনার ভালোই লাগলো কিন্তু যেই একটু একটু করে গ্রাফিক্স ডিজাইনের এডভান্স আপনি জানতে শুরু করলেন এবং আপনার কিছুটা মাথা খাটানোর মত কাজে ঢুকে পড়লেন তখন আর আপনার গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালো লাগছে না। ততদিনে কিন্তু প্রায় দেড় দুই মাস গ্রাফিক্স এর পিছনে সময় দিয়ে ফেলেছেন। তারপর আপনি আবার ইন্টারনেট ঘেটে গুগল, ইউটিউব থেকে জানতে পারলেন যে ওয়েব ডিজাইন ও ডেভোলপমেন্ট অনলাইনে আয় করার ক্ষেত্রে খুবই ভালো একটি কাজ ও অনেকে এই কাজ শিখে এবং করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারছে ।

তখন আপনি ভাবলেন গ্রাফিক্স ডিজাইন আপনাকে দিয়ে হবে না আপনি ওয়েবডিজাইনই শিখবেন এবং কয়েকমাসের মধ্যে তা শেষ করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় ও করতে পারবেন। এটাও আপনি সেই আগের মত করে শিখতে শুরু করলেন এবং সেই একি কান্ড ওয়েবডিজাইনের বেসিক ভালো লাগলো কিন্তু সেই এডভান্স এবং একটু মাথা খাটানোর মত কাজে পৌছে গেলেন সাথে সাথে আপনি আবার ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি শুরু করে দিলেন এবং অন্য টপিকে মুভ করলেন এভাবে আপনার প্রচুর সময় আপনি খরচ করে ফেললেন দেখবেন দুই বছর আপনি অনলাইনের পিছে খরচ করে ফেলছেন অথচ এক টাকাও আপনি আয় করতে পারলেন না। আয় তো পরের কথা কোন কাজই তো আপনি শিখতে পারলেন না তাহলে আয় কিভাবে করবেন । অথচ আপনার সাথে শুরু করা সেই গ্রাপিক্স ডিজাইন নিয়ে সেই ছেলে বা মেয়ে হয়ত আজ তার ধৈয্য ও মেধা দিয়ে অনকে বড় একজন ডিজাইনার হয়ে গেছে হয়ত তার অনেক ক্লাইয়েন্ট হয়ে গেছে তার এখন লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম।

তারপর রয়েছে সঠিক বিষয় বাছাই । অনেকেই এই জায়গাটাতে এসে ধরা খায় । অনলাইনে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই সঠিক বিষয় বাছাই করতে হবে ওয়েবডিজাইন ভালো কাজ তাই বলে যে আপনাকেও ওয়েবডিজাইনি শিখতে হবে এমন কিন্তু নয় আপনার নিজের সামথ্যের ও ব্যাপার আছে আপনি কি আসলেই পারবেন ওয়েবডিজাইন শিখতে আপনার কি আসলেই ভালো লাগবে কোডিং কিংবা ডিজাইন । তাই সেই দিকেও খেয়াল রাখবেন। অনকে ডিজিটাল মাকেটিং করেও হাজার হাজার ডলার আয় করছে তাই অনলাইনে আয় করতে হলে আপনাকে সময় নিয়ে ভাবতে হবে আপনার সামথ্যের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে ভালো করে বুজে শুনে তারপর শুরু করতে হবে।

অনলাইনে সফল না হওয়ার একটি অন্যতম কারণ হলো আমাদের আশে পাশে নানা রকম প্রতিষ্ঠানের নানা রকম প্রতারণা । তারা তাদের প্রতিষ্ঠানে কিছু স্টুডেন্ট এর জন্য অনেককে লোভ দেখিয়ে অনকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সাথে নষ্ট করছে একটা স্টুডেন্ট এর মূল্যবান সময় ও তার অনলাইন ক্যরিয়ার। আমি সবার কথা বলছি না শত খারাপের মাঝে ও কিছু কিছু ভালো প্রতিষ্ঠান তো অবশ্যই আছে যারা আসলেই কিছু শেখাতে চায় এবং একজন মানুষকে অনলানে সফলতার মুখ দেখিয়ে দেয়।

অনলাইনে আয় করার হরেক রকম সুযোগ থাকলে ও বেশিরভাগ সময়ই পরতে হয় প্রতারণার ফাদে। তাই এসব প্রতারনা থেকে থাকতে হবে সতর্ক। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন হাজার হাজার টাকা সেই সম্পকেই জেনে নিন :

অনলাইনে আয় করার কিছু সঠিক ও জনপ্রিয় উপায়:

১/ ইউটিউব থেকে আয়:

অনলাইনে আয়

বর্তমানে অনলাইনে আয় করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ উপায় হলো ইউটিউব থেকে আয়

কারণ এটা খুবই সহজ এবং কোন প্রকার পূর্ব অবিজ্ঞতা ছাড়াই এটা করা সম্ভব আর খুব বেশি ইনভেস্টও করা লাগে না। আর আপনি যদি নিয়মিত করে ধৈর্য্য ধরে করে যেতে পারেন তাহলে আপনার সফলতার হার শত ভাগ।

ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে আপনাকে সবার প্রথমে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে নিতে হবে । যা গুগল বা জিমেইল একাউন্ট থাকলেই খুব সহজেই তৈরি করা যায় তার পর সেই চ্যানেলের একটি নাম দিয়ে নিয়মিত বিরতিতে ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে এতে আপনার চ্যানেলটি খুব সহজেই মানুষের কাছে প্রাধান্য পাবে সাথে ইউটিউবের কাছেও । তাই নিয়মিত বিরতিতে ভিডিও আপলোড করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

যখন আপনি নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে থাকবেন তখন আপনার চ্যানেলে আসতে আসতে ভিউ বাড়তে থাকবে এবং এভাবে একটি নিদির্ষ্ট সময় পর আপনার চ্যানেলে ইউটিউবের একটা ছোট টার্গেট পূরণ হয়ে যাবে আর সেটা হলো একটি চ্যানেলের মোট ওয়াচটাইম ৪হাজার ঘন্টা ও ১হাজার সাবস্কাইব হতে হবে তাও ১বছর সময়ের মধ্যে ।

তাহলে আপনার চ্যানেলটি ইউটিউবের যে মানি আয়ের উপায়টি আছে চ্যানেল মনিটািইজেশন এর অবশনটি অন হয়ে যাবে এবং আপনার ভিডিওতে এড শো করবে ও আপনার আয় হতে থাকবে । এভাবেই ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন।

এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত জনতে এবং কিভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হয় ও তা থেকে কিভাবে সহজে আয় করা যায় পুরো প্রসেসটি স্টেপ বাই স্টেপ ও প্রাট্টিকেল জানার জন্য এই আটির্কেলটি পড়ে আসুন।

২/ ব্লগ থেকে আয়:

অনলাইনে আয় ব্লগ

অনলাইনে আয় করার ক্ষেত্রে খুব সহজ ও জনপ্রিয় আরো একটি উপায় হলো ব্লগ থেকে আয়

বর্তমানে ব্লগ সাইটের জনপ্রিয়তা এতটাই বেড়েছে যে পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বে প্রায় ২কোটির ও উপরে ব্লগ সাইট রয়েছে এর থেকে বুজা যায় ব্লগ সাইটে বেশ ভালোই আয় করা যায় তাই তো এই ইন্ডাস্টিটা এতো বড় আকার ধারণ করেছে।

এমন অনেকেই রয়েছে যারা ব্লগ সাইট থেকে আয় দিয়ে নিজের পরিবার পর্যন্ত বেশ ভালো ভাবেই চালিয়ে ফেলছেন।

তাই আপনিও যদি সত্যি অনলাইনে আয় করতে চান তাহলে আমি বলবো আপনি কোন দিক না তাকিয়ে সরাসারি ব্লগিং কে বেছে নিতে পারেন সবচেয়ে বেশি আয় করাতে চাইলে।

এর জন্য সবার প্রথমে আপনাকে একটি ব্লগসাইট খুলে নিতে হবে নানান রকম উপায়ে ব্লগ সাইট তৈরি করা যায়।

তবে তার জন্য আপনাকে সবার প্রথমেই একটি ডোমেন ও হোস্টিং রেজিস্টেশন করে নিতে হবে তারপর যে কোন একটি ব্লগতৈরির প্লাটফ্রম থেকে ব্লগসাইট তৈরি করে ফেলতে পারবেন । তার মধ্যে সবেচেয়ে জনপ্রিয় একটি উপায় হলো ওয়ার্ডপ্রেস।

আপনি খুব সহজেই ডোমেন হোস্টিং রেজিস্টেশন করার পর ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবেহার করে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে ফেলতে পারেন।

কিভাবে একটি ব্লগসাইট তৈরি করবেন এবং কিভাবে সেখান থেকে খুব সহজেই আয় করতে পারবেন তার A to Z দেখে নিন এই আটির্কেলটি থেকে

৩/ ফিল্যান্সিং করে আয়:

অনলাইনে আয় ফিল্যান্সিং

অনলাইনে আয় করার জন্য ফিল্যান্সিং হতে পারে এক অন্যতম সেরা উপায়।

কারণ বর্তমানে যেই হারে ইন্টারনেটের প্রসার বাড়তেছে সেই একই হারে বাড়তেছে ইন্টারনেট ভিত্তিক কাজের প্রসারও ।

এখন যে সকল কাজ গুলো কম্পিউটার ও ইন্টানেটের মাধ্যমে করা সম্ভব তা সে সকল কাজ গুলো সকলে অনলাইন থেকে কর্মী জোগার করে করাতে চায় অনলাইনেই টাকা দেওয়ার মাধ্যমে।

আপনি ও ইচ্ছে করলে এমন কিছু কাজ শিখে লেগে পরতে পারেন আয় করার জন্য ।

তবে ফিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনলাইনে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই যে কোন একটা কজে (ইন্টারনেটে করা যায় এমন কাজ) দক্ষতা অর্জন করতে হবে যেমন: গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েবডিজাইন, ওয়েবডেভোলপমেন্ট, ভিডিও ইডিট করা, আটির্কেল রাইটিং ,ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি ।

তারপর যে কোন একটা মার্কেটপ্লেস এ রেজিস্টেশন করে আপনি ও লেগে পরতে পারেন এসব কাজ গুলো কার জন্য। এবং অনলাইনে থেকে আয় করতে পারেন হাজার হাজার টাকা।

৪/ এফিলিয়েট মার্কেটিং:

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলােইনে আয়

এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি অনলাইন ভিত্তিক কাজ যে কাজে সফল হতে পারলে লাভ অনেক বেশি রীতিমত লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা যায় এই এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ করে।

এর জন্য অনলাইনে আয় করার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মানুষ এই এফিলিয়েট মার্কেটিং কে বেছে নেয়।

এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি কাজ যা আপনাকে অন্যের পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করতে হবে বিনিময়ে আপনি তার বিক্রিত মালের লভ্যাংশ থেকে কিছু টাকা কমিশন হিসেবে নিবেন।

এর জন্য আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল এর সাহায্য নিতে পারেন অথবা আপনার ব্লগের অথবা আপনার কোন ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম পেজের।

ধরলাম আপনার একটি ব্লগ আছে যেখানে আপনি নিয়মিত আটির্কেল পাবলিশ করার ফলে বেশ অল্প কিছু দিনের মাথায় আপনার ব্লগে বেশ ভালো ভিজিটর আশা শুরু করলো তখন আপনি আপনার যে ভিজিটর আছে তাদের কাছে অন্যের পণ্য রিভিউ করতে পারেন এবং পণ্য কেনার লিংকটি আপনার ব্লগে শেয়ার করতে পারেন ফলে যারা যারা আপনার দেওয়া লিংক থেকে পণ্য কিনবে তার কিছু অংশ কমিশন হিসেবে আপনার একাউন্টে জমা হবে।

এ রকম এফিলিয়েট লিংক দেওয়ার মত হাজার হাজার সাইট রয়েছে যাদের পন্য রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো আমাজান।

তো আপনি অনলাইনে আয় করতে চাইলে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কে বেছে নিতে পারেন ।

আজ এই পর্যন্তই বাকি গুলো আমি এই আটির্কেল এর পার্ট ২ তে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

এবং অবশ্যই হাবিবব্লগের সাথেই থাকবেন।

আমাদের সকল আপডেট সবার আগে ফেসবুকে পেতে এখনি লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ

Share This

COMMENTS