কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন [২০১৯ আপডেট]

কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন [২০১৯ আপডেট]

ইউটিউব থেকে টাকা আয়

অনলাইন থেকে আয় কথাটা আমরা সকলেই কম বেশি শুনেছি। আনলাইন থেকে আয় করার উপায়গুলোর  মধ্যে একটি প্রধান উপায় হলো ইউটিউব থেকে আয় । কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায় বিষয়টি নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই বিশেষ করে তরুনদের মাধ্যে এরপ্রভাব লক্ষণীয় । কারণ বর্তমানে যে এই ইউটিউব থেকে আয় করা যায় লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা । অনেকেই সেটা সফলভাবে করছে ও এমন কি আমাদের দেশ থেকে ও এখন লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা ইনকাম করা সম্ভব হচ্ছে । ইচ্ছে করলে যে কেউ এটা করতে পারে । এখন আপনিও নিশ্চই ভাবছেন যে কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় উপার্জন করা যায়। শুধু ইউটিউব থেকে ইনকামই হতে পারে আপনার ইনকামের মূল উৎস।

এখন নিশ্চই আপনার মাথায় এই বিষয় গুলোই ঘুরপাক খাচ্ছে ।

  • কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়
  • ইউটিউব থেকে আয় করার সহজ উপায় কী?
  • ইউটিউব থেকে কত আয় করা যায়
  • ইউটিউব কিভাবে টাকা দেয়

আমরা আজকের এই  পোষ্টে এই বিষয় গুলো তো জানবই সাথে জানব কিভাবে খুব সহজে সফল হতে পারেন ইউটিউবে। তাই একটু ধর্য্য ধরে হলে ও  পুরো পোষ্টি পড়বেন খুব মনোযোগ ‍দিয়ে । আমি কথা দিচ্ছি আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে পুরো পোষ্টি পড়েন এবং ধর্য্য  ‍ধরে প্ররিশ্রম করে যান তাহলে আপনি ও একদিন লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা আয় করতে পারবেন ইউটিউব থেকে ইনশাআল্লাহ।

কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায় (how to earn meany youtube)

ইউটিউব থেকে আয় করার ব্যাপারটা বুজতে হলে সবার প্রথমে আপনাকে বুজতে হবে ইউটিউব জিনিসটা কি?

ইউটিউব কি?

ইউটিউব হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‍ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট । যেখানে প্রতিদিন লক্ষ্য লক্ষ্য নতুন নতুর ভিডিও পাবলিশ হয় । এবং প্রতিদিন সারা পৃথিবী থেকে প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষ এইসব ভিডিও দেখার জন্য ইউটিউবে ভিজিট করে থাকে। এতক্ষণে নিশ্চই বুজে গেছেন বিশ্বের মধ্যে কত বড় একটি প্লাটফ্রম এই ইউটিউব ।

ইউটিউব থেকে আয়

ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে আপনার থাকতে হবে একটি ইউটিউব চ্যানেল । যেকেউ সেটি সর্ম্পূণ ফ্রিতে খুলে নিতে পারে। তাই সেই সুবাধে আপনিও সর্ম্পূণ ‍ফ্রিতে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে ফেলতে পারেন।

কিভাবে ইউটিউবে চ্যানেল খুলবেন

ইউটিউব চ্যানেল খুলার জন্য আপনার লাগবে একটি জিমেইল একাউন্ট । এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে শুধু মাত্র জিমেইল একাউন্ট ‍দিয়েই এটা সম্ভব। কারণ ইউটিউব যেহুতু গুগলের একটি সার্ভিস এবং জিমেইল ও গুগলেরই একটি সার্ভিস তাই শুধু মাত্র জিমেইল দিয়েই এটা হবে আর কোনোটা দিয়ে হবে না। তাই আপনাকে অবশ্যই একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে।

লিংক : কিভাবে একটি জিমেইল একাউন্ট খুলবেন।

তারপর আপনাকে ইউটিউব এ প্রবেশ করতে হবে । ইউটিউবে প্রবেশ করার পর আপনি আপনার ডিভাইসের স্কিনের ডানদিকে তাকালে দেখতে পারবেন SIGN IN লেখা রয়েছে। how to create a youtube channel

সেখানে ক্লিক করতে হবে তার পর আপনার জিমেইল একাইন্ট ও পাসওয়ার্ড দিতে হবে তাহলেই আপনার চ্যানেলটি খুলা হয়ে গেলো ।

how to create a youtube channel

how to create a youtube channel

এখন আপনার ইউটিউব চ্যানেল খুলা কম্পিলিট হলো।

ইউটিউব কেন টাকা দেয় এবং কোথায় থেকে দেয়।

আগেই বলেছি ইউটিউব হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট । এখানে প্রতিদিন প্রায় লক্ষ্য লক্ষ্য ভিডিও পাবলিশ হয় পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে । আর এই সব ভিডিও দেখার জন্য প্রতিদিন কোটি মানুষ প্রবেশ করে । এত বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম দেখে ইউটিউবের উপর নজর পরে পৃথিবীর অসংখ্য জনপ্রয়ি ব্রান্ড কম্পানি গুলোর তাদের ব্রান্ডের বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য । এবং তারা তাদের বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে ইউটিউব এ এবং ইউটিউব সেই লভ্যাংশ থেকে কিছু টাকা দিয়ে থাকে ইউটিউবের ভিডিও তৈরি কারকদের । এভাবেই ইউটিউব প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে থাকে বিজ্ঞাপন থেকে এবং তার লভ্যাংশ থেকে একটা অংশ দেয় ইউটিউবে যারা  নিয়মিত মানসম্মত ভিডিও আপলোড করে যান তাদেরকে।

তো এতক্ষণে নিশ্চই বুজে গেছেন যে ইউটিউব কেন টাকা দেয়  এবং ইউটিউব কোথায় টাকা পায়।

এই সব গুলো সুবিধা ইউটিউব পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য সর্ম্পূণ ফ্রিতে দিয়ে থাকে আপনি ও এই সুবিধা গুলো নিয়ে আয় করতে পারেন মুটামুটি পরিমাণের একটা অর্থ।

ইউটিউব থেকে আয় করার সহজ উপায় কী?

অনলাইনে আয় করার কোন সহজ উপায় নাই, তবে হ্যা আপনি যদি সঠিক উপায় জানেন ও সে অনুযায়ী কাজ করে যান তাহলে আপনার জন্য তুলনামূলকভাবে সফল হওয়া সহজ হবে এবং সময়ও অনেক কম লাগবে ।

কিন্তু কষ্ট আপনাকে করতেই হবে । সেই ‍দিকে কোন মাপ নাই। আপনি যত সহজ উপায় খুজবেন আপনাকে তত বেশি কষ্ট করতে হবে তাহলেই আপনি সবচেয়ে সহজে সফল হতে পারেবেন ।

হ্যা আপনি যদি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে একটু ভেবে চিন্তে কাজে নামেন তাহলে অবশ্যই আপনার জন্য বাকি পথটা চলা আনেক সহজ হবে।

কিভাবে সফল হবেন

অনেকেই ইউটিউবে অনেক দিন ধরে লেগে থেকেও অনেক ভিডিও আপলোড করেও সফলতার দেখা পাচ্ছে না । ইউটিউবে এরকম অনেক সময়ই হয়ে থাকে যে আপনি অনেক দিন যাবত ইউটিউবে কাজ করে যাচ্ছেন নিয়মিত ভালো ভালো ভিডিও আাপলোড করছেন তবুও আশানরুপ ফল পাচ্ছেন না। এ ব্যাপারটা বুজতে হলে আপনাকে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

তো কিভাবে আপনি সফল হতে পারবেন?

১.সঠিক টপিক বাছাই:

ইউটিউবে সফল হতে হলে আপনাকে সবার প্রথমে একটি টপিকের উপর ভিডিও বানাতে হবে। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনি যখন একটি নির্দিষ্ট টপিকরে উপর ভিডিও করতে থাকবেন। তখন আপনার চ্যানেলটি দর্শকদের কাছে অনেক বেশি গুরুত্ব পাবে ,কারণ তখন কোনো দর্শক যখন আপনার চ্যানেলে একবার প্রবেশ করবে তখন সে যদি দেখে আপনার চ্যানেলে এবটি বিষয়ের উপর বিস্তারিত সব ভালো তথ্য দেওয়া আছে তখন সে আবশ্যই সেই বিষটা জানার জন্য আপনার চ্যানেলটিকেই সবচেয়ে বেশি প্রধান্য দেবে তাই একটি টপিকের উপর ভিডিও তৈরি করা সবচেয়ে উত্তম।

আপনাকে অবশ্যই এমন একটি টপিক বাছাই করতে হবে যেটির ভালো চাহিদা রয়েছে। সাবাই যে বিষয়টি দেখেতে চায় আথবা জানতে চায় । ‍আপনি যদি এমন একটি টপিক বাছাই করেন যেটির মানুষ দেখার বা জানার কোনো প্রয়োজনই মনে করে না তাহলে আপনার পক্ষে আশানুরুপ ফল পাওয়া সম্ভব হবে না ।

টপিক বাছাইয়ে আরও একটি জিনিস অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সেটা হলো আপনার জ্ঞানের উপর, কারণ ধরুন আপনি টেকনোলজি টপিকটি বাছাই করলেন এ বিষয়ে আপনি ভিডিও বানাবেন কারন টেকনোলজি বিষয়টি খুব ভালো এবং এর চাহিদা ও অনেক ভালো মানুষ ‍বিষয়টি সর্ম্পকে জানতে ও চায় তাই সব দিক  চিন্তা করে আপনি এ বিষয়টি বেছে নিলেন । সব কিছু শেষ করে দেখলেন যে আপনি নিজেই জানেন না এ বিষয়টি সর্ম্পকে তাহলে আপনি কিভাবে অন্যকে জানাবেন।

তাই অবশ্যই টপিক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনি কোন বিষয়টা সর্ম্পকে ভালো জানেন এবং আপনার ভিডিও বানানোর জন্য কোন বিষয়টার উপর পর্যাপ্ত পরিমান জ্ঞান আছে সেই বিষটারকেই বেছে নিন।

তাই টপিক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এসব গুলো বিষই মাথায় রেখে টপিক বাছাই করেন।

ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার ১০ টি সেরা আইডিয়া

১.ফানি ভিডিও :আপনি ভিবিন্ন ফানি ভিডিও তৈরি করতে পারেন। যা অতি জনপ্রিয় একটি টপিক।

২.রিভিউ ভিডিও: আপনি ভিবিন্ন ইলেক্টিকেল যন্ত্রপাতির রিভিউ দিতে পারেন । যেগুলো কেমন হবে কোনটা ভালো কোনটার কাজ কেমন ইত্যাদি । এই টপিকটা ও বেশ জনপ্রিয়।

৩. খাবার রেসিপি: আপনি ভিবিন্ন খাবার রেসিপ বানিয়ে সেটা ভিডিও করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন যা দেখে অনেকে রান্না শিখতে পারবে। এটাও বেশ জনপ্রিয় একটি টপিক। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এটা বেম ভালো একটি টপিক।

৪.টেকনোলজি:  আপনি ভিবিন্ন নতুন নতুন টেকনোলজি আপডেট নিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন।

৫.টিউটেরিয়াল: ভিবিন্ন সফটওয়্যার এর টিউটোরিয়াল নিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন। এতে আপনি নিজে যেমন শিখতে পারবেন সাথে আপনার ভিডিও দেখে অনেক মানুষ উপকিরিত হবে।

৬.মটিভেশন: আপনি  ভিবিন্ন মোটিভেশনমূলক ভিডিও কেরতে পারেন।

৭.জীবন কাহিনী: আপনি ভিবিন্ন মানুষের জীবন কাহিনী নিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন বিশেষ করে সফল মানুষের জীবন কাহিনী বেশ জনপ্রিয় এক্ষেত্রে।

৮.ব্লগ: আপনি আপনার নিত্য জীবন নিয়ে ব্লগ তৈরি করতে পারেন এবং সেটা ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন। 

৯.মানুষের অভিজ্ঞতা: মানুষের উপর ভিবিন্ন অভিজ্ঞতামূলক ভিডিও আপলোড করতে পারেন।ভিবিন্ন মানুসের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন।

১০.ভ্রমণ: আপনি বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করতে পারেন েএবং সেই ভ্রমণের সময় যদি আপনি সেই ভ্রমনের ভিডিও ধারণ করে ইউটিউবে আপলোড করেন তাহলে ভালো ভিউ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

২. ভিডিওতে কোয়ালিটি বজায় রাখুন:

ইউটিউবের জন্য ভিডিও এ কোয়ালিটি বজায় রাখা অনেক বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ  কাজ । আপনি অনেক ভালো একটি টপিক বাছাই করলেন, সেই বিষয়ে অনেক জ্ঞান ও অর্জন করলেন, আপনি ভিডিওতে অনেক ভালো ভালো তথ্য ও দিলেন, কিন্তু আপনার ভিডিওতে কোয়ালিটি নাই তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিওটা দর্শকেদের কাছে তেমন প্রধান্য পাবে না কারন ভিডিওর আউটলোকটা যদি ভালো না হয় তাহলে কেই আপনার ভিডিও দেখতে চাইবে না।

প্রথম দিকে আপনার ভিডিও এর কোয়ালিটি আপনি চাইলে ও ভালো করতে পারবেন না কারণ কারণ ভিডিও কেয়ালিটি বাড়াতে হলে আপনাকে মুটামুটি পোফেশনাল লেভেলের জ্ঞান থাকতে হবে যা দুই এক দিনে অর্জন করা সম্ভব না । কিন্তু হ্যা আপনি যদি নিয়মিত ভাবে আপনার ভিডিও কোয়ালিটির উপর একটু একটু করে নজর রেখে নতুন নতুন ‍জিনিস এড করতে থাকেন তাহলে একটা সময় যেয়ে দেখবেন আপনার ভিডিওর কোয়ালিটি এমনিতেই বাড়তে থাকবে ।

তাহলে প্রথম ‍দিকে কি করবেন প্রথম দিকে কোয়ালিটি যতটুকু পারেন আপনার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করুন সর্বোচ্চ কোয়ালিটিফুল ভিডিও তৈরি করার । বিশেষ করে খেয়াল রাখবেন আপনার ভিডিও এর কোয়ালিটির চেয়ে আপনার ভিডিও এর অডিও কোয়ালিটিটা যেনো প্রথম থেকেই ভালো হয় ।

কিভাবে অডিও কোয়ালিটি ভালো করবেন যে সর্ম্পকি কিছু টিপস

    • ভালো একটি মাইক্রোফোন ব্যবহার করুন: কারণ আপনার ভিডিও এর অডিও এর কোয়ালিটির প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ নির্ভর করে আপনার মাইক্রোফোন এর উপর। তাই পোফেশনাল অডিও পেতে হলে অবশ্যই ভালো কোয়ালিটিফূল মাইক্রোফোনের কেনো তুলনা নেই।
    • ভালো সফটওয়্যার দিয়ে ইডিট করেন : আপনি যদি সর্বোচ্চ ভালো কোয়ালিটির অডিও পেতে চান আপনার ভিডিওর তাহলে আপনার অডিওটি ইডিটের কোনো তুলনা নেই । অনেক সময় ভালো ইডিট করতে পারলে অনেক খারাপ মাইক্রোফোনের অডিওতেও পোফেশনাল অডিও পাওয়া সম্ভব। (যেমন:অডাসিটি , এফএলস্টুডিও)
    • নয়েস ডিলিট করুন: অবশ্যই আপনার অডিও থেকে অতিরিক্ত নয়েস ডিলিট করুন। আপনার অডিওতে নয়েস থাকুক এটা কোনো দর্শকই চাইবে না। ভিডিওতে ভিউ না আসার একটি বড় কারণ
      অডিও এর নয়েস ডিলিট না করা।
    •  ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দেন: আপনার ভিডিওতে একটি মানানসই ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দেন। এটি আপনার ভিডিওর কোয়ালিটি অনেক বাড়িয়ে তুলবে। ইউটিউবে অনেক চ্যানেল আছে যেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজন মত ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এমনি একটি চ্যানেল হলো:                                          এই চ্যানেলটি থেকে আপনারা আপনাদের প্রয়োজনীয় যে কোন মিউজিক আপনার ভিডিওতে এড করতে পারেন কোনো রকম কপিরাইট ছাড়াই । করাণ এদেরর ভিডিও গুলো সব ফ্রি।

এইভাবে সবগুলো নিয়ম মেনে চললে আপনার ভিডিওতে ব্যবহৃত অডিও এর কোয়ালিটি অনেক বেড়ে যাবে। এবং আপনার বিডিও দর্শকদের কাছে অনেক গ্রহণযোগ্রতা পাবে।

 

এরপর আপনাকে নজর দিতে হবে আপনার ভিডিও এর উপর আপনার ভিডিও এর আউটলুক গ্রাফিক্স এর উপর খেয়াল রাখতে হবে।

যেভাবে আপনার ভিডিও এর আউটলুক গ্রাফিক্স এর কোয়াুলটি বাড়াবেন।

  • ভালো ক্যামেরা ব্যবহার করুন: আপনার ভিডিও এর আউটলুক সুন্দর কারার জন্য ভালো একটি ক্যামেরার কোন বিকল্প নাই । এক্ষেত্রে DSLR হতে পারে সঠিক সমাধান কিন্তু এটি অনেক খরচ সাপেক্ষ যা সবার পক্ষে কেনা সম্ভব না। তবে বর্তমানে মোবাইল ফোন গুলোতে অনেক ভালো ক্যামেরা দিচ্ছে সেটি দিয়েও আপনি শুরু করতে পারেন।
  • ভিডিওতে লাইট ব্যবহার করুন: আপনি যদি বাইরে ভিডিও করেন তাহলে আপনার আর এ বিষয়টি জানা লাগবে না কারণ এটা যারা ঘরে বা আবদ্ধ কোন স্থানে ভিডিও বানাবে তাদের জন্য । যারা ঘরে বা আবদ্ধ কোন স্থানে ভিডিও বানাবেন তারা অবশ্যই ভিডিও করার সময় লাইট ব্যবহার করবেন । এতে আপনার ভিডিওর কোয়ালিটি বৃদ্ধি পাবে।
  • ভালো সফটওয়্যার দিয়ে ইডিট করুন: ভিডিও তৈরিতে শুধু ভাল ক্যামেরা হলেই কোয়ালিটির সর্বোচ্চ ফলাফল পাওয়া সম্ভব না। এর জন্য দরকার অনেক ভালো ভালো সফটওয়্যার দিয়ে ইডিট করা। এক্ষেত্রে (adobe premiere procamtasia studio) হতে পারে সঠিক সমাধান।
  •  ক্যামেরা চালানো শিখুন: ভিডিও এর কোয়ালিটি বাড়াতে ক্যামেরা চালনা করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। করণ ক্যামেরারর কোণগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

৩. ভিডিওতে কিভাবে ভিউ আনবেন

আপনি এখনো পর্যন্ত উপরে উল্লিখিত সবগুলো বিষয় মেনেই ভিডিও বানালেন । এবং সেই ভিডিওতে ভালো কন্টেন্ট ও দিলেন ভিডিও কোয়ালিটি ও বজায় রাখলেন টপিক ও ভালো তবুও আপনার ভিডিওতে কাংখিত ভিউ পাচ্ছেন না।

তাহলে কি করবেন?

এর জন্য আপনাকে বুজতে হবে ইউটিউব কিভাবে কাজ করে এবং ইউটিউবের অ্যালগরিদম কিভাবে কাজ করে। ইউটিউবের নিয়ম অনুয়ায়ী একটি চ্যানেল ইউটিউব থেকে র‌্যাংক করতে হলে ৩-৫ মাস সময় লেগে যায় তবুও বেশির ভাগ চ্যানেল এই সময়ের মধ্যেও কাংখিত র‌্যাংকি পায় না । ইউটিউবের নিয়ম অনুযায়ী একটি চ্যানেল এর ভিডিও র‌্যাংক করানোর জন্য যেসকল বিষয়গুলো দেখে থাকেন সেগুলো হলো ভিডিও এর ওয়াচ টাইম কেমন , লাইক ডিসলাইক, কমেন্ট, শেয়ার এর উপর নির্ভর করে। আপনার ভিডিও একটি দর্শক কত টাইম দেখল তার উপর অনেক ক্ষানি নির্ভর করে । যদি সকল দর্শক আপনার ভিডিওটি ফুল টাউম দেখে থাকে তাহলে আপনার ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে কারণ এতে ইউটিইব মনে করে থাকে যে ভিডিওটি সবার কাছে অনেক ভালো লাগছে তাই সবাই ফুল টাইম দেখতেছে।

এরপর লাইক ডিসলাইক এরউপরও নির্ভর করে। আপনার ভিডিওতে কত গুলো লাইক  আসলো এবং কত গুলো ডিসলাইক আসলো সেটি দেখে ইউটিউব । যদি ইউটিউব দেখে আপনার ভিডিওএর লাইক বেশি তাহলে সে ভিডিওটি র‌্যাংক করায় আর যদি ডিসলাইক বেশি আশে তাহলো ভিডিওটি ডাউন করে দেয়।

প্রথম দিকে ভিউ আনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

প্রথম দিকে আপনাকে অবশ্যই মুটামুটি একটু কষ্ট করতে হবে ভিডিওতে ভিউ আনার জন্য এবং ভালো ওয়াচ টাইম পাওয়ার জন্য কারণ প্রথম দিকে আপনার চ্যানেলটি তেমন পরিচিত না।

কেউই আপনার চ্যানেলের নাম জানে না। আপনার চ্যানেলের সাস্ক্রাইবার ও তেমন নাই। তাই আপনাকে একটু কষ্টতো করতে হবেই । তাই প্রথমেই আপনার চ্যানেলটিকে পরিচিত করতে হবে। তারজন্য আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধবদের সাহযোগিতা নিতে পারেন । 

আপনার সকল বন্ধুদের বলে দিতে পারেন সকলে যেনো সকলের বন্ধুদের সাথে ভিডিও শেয়ার করে তাহলে দেখবেন আপনার চ্যানেলে কিছু কিছু ভিউ পেয়ে যাবেন।

সাথে বিভিন্ন সোসাইলমিডিয়া তো আছেই। সেখানে ও বেশি বেশি শেয়ার করতে পারেন। বিভিন্ন জনপ্রিয় গ্রুপে ও পেজে শেয়ার করতে পারেন। তাহলে দেখবেন আসতে আসতে ভিউ বাড়তে থাকবে। এবং সাথে ওয়াচটাইমও । এবং এর ফলে আপনার চ্যানেলটিও ইউটিউবের কাছে র‌্যাংক করে ফেলবে । তবে হ্যা অবশ্যই ধৈর্য্য রাখতে হবে এবং মনে বিশ্বাস রাখতে হবে যে আপনার চ্যানেলটিও একদিন র‌্যাংক করবে এবং বড় হবে।

ইউটিউব থেকে কত আয় করা যায়

বেশিরভাগ মানুষই ইউটিউবিং শুরুর আগে এ কথাটা চিন্তা করে থাকে যে ইউটিউব থেকে কত টাকা আয় করা যায়। 

বেশিরভাগেরই প্রশ্ন থাকে যে ইউটিউবে প্রতি ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয়?

এই পোষ্টের প্রথমেই বলেছি যে ইউটিউব কিন্তু কোন টাকা দেয় না । তারা তাদের লভ্যাংশ থেকে একটা পরিমাণ আপনাকে দিয়ে থাকে । তাই একটা ভিডিওর প্রতি ১হাজার ভিউতে কত লাভ হবে এবং কত টাকাই বা আপনাকে ইউটিউব দিবে সেটাও নির্দিষ্ট না। 

তবে হ্যা একটি ভিডিও থেকে ইউটিউব যত বেশি লাভ করতে পারবে আপনাকেও তত বেশি টাকা দিতে পারবে ইউটিউব।

তবে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা তাদের পরিসংখ্যান থেকে বলতে পারে আমাদের দেশ থেকে প্রতি ১০০০ ভিউতে গড়ে ১-১০$ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে। 

আমাদের দেশ থেকে অনেক কম টাকা আয় হয় ইউটিউবের কারণ আমাদের দেশের বিজ্ঞাপন দাতাদের বিজ্ঞাপন মূল্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় খুবই কম । 

কিন্তু তারপর ও মাস শেষে যদি আপনি আপনার চ্যানেলে ৩মিলিউন বিংবা এর চেয়েও বেশি ভিউ নিয়ে আসতে পারেন আপনার চ্যানেলে তাহলে আপনিও ১০০০$ কিংবা এর কাছাকাছি একটা পরিমাণের ইনকাম আশা করতেই পারেন।

আপনি যখন একটি খুব জনপ্রিয় চ্যনেলের মালিক হবেন তখন আপনাকে আর শুধু ইউটিউবের আয়ের উপরই নির্ভর করতে হবে না । কারণ তখন ভিবিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন আপনি নিজেও সরাসরি পাবেন । 

নিচে আমি কয়েকটা জনপ্রিয় ইউটিউবারের নাম ও তাদের আয়ের পরিমাণ উল্লেখ করলাম যেখান থেকে আপনি কিছুটা ধারণা পাবেন আশা করি।

1. Shane Dawson (431 million views and earn $315,000)


2. The Annoying Orange (349 mil views and earn $288,000)


3. Philip DeFranco (248 mil views and earn $181,000)


4. Ryan Higa (206 mil views and earn $151,000)


5. Fred (200 mil views and earn $146,000)

 

ইউটিউব কিভাবে টাকা দেয়

ইউটিউব টাকা দেয় মূলত ডলারের মাধমে যা আপনি ভিবিন্ন ব্যাংকের কনভাট করে আমাদের দেশের টাকায় পরিণত করে নিতে পারেন।

ইউটিউব এডসেন্স তাদের টাকাগুলে সাধারণত দুটি উপায়ে দিয়ে থাকেন একটি হলো ব্যাংকের মাধ্যমে অন্যটি চেকের মাধ্যমে।

ব্যাংকের মাধ্যমে হলে আপনি যে কোন ব্যাংকের মাধমে আপনার একাউন্টে টাকা ট্রান্সারফার করে নিতে পারেন।

আর চেকের মাধমে হলে আপনাকে তারা ডাক যোগাযোগে চেক পাঠিয়ে দিবে। যা আপনি ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়ে নিতে পারবেন।

এছাড়াও ভিবিন্ন মার্স্টাকার্ডের মাধ্যমেও টাকা তুলতে পারেন।

সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ পুরো পোষ্টি মনোযোগ দিয়ে পরার জন্য । কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।

Share This

COMMENTS

Wordpress (3)
  • comment-avatar

    good article bro